ছত্রাক ও ছত্রাকনাশক নিয়ে কিছু তথ্য | Adenium Fungal Infection
ছত্রাক সম্পর্কিত সাধারন কিছু তথ্য!
ছত্রাকনাশক ৩ ধরনের হয়।
১) কন্টাক্ট ফাঙ্গিসাইড, ২) সিস্টেমিক ফাঙ্গিসাইড, ৩) ট্রান্সলেমিনার ফাঙ্গিসাইড।
১) কন্টাক্ট ফাঙ্গিসাইডকে আমরা প্রোটেকটিভ ফাঙ্গিসাইড-ও বলি। এটা গাছের ছত্রাক আক্রমন হওয়া থেকে গাছকে রক্ষা করে। অর্থাৎ প্রতি ১০-১৫ দিন পর পর এটা প্রয়োগ করলে ছত্রাকের আক্রমণ কম হবে।
নতুন ছত্রাকের আক্রমন থেকে রক্ষার জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। গাছের পাতা হলুদ হওয়া, ক্যাঙ্কার, লিফ স্পট, ফ্রুট স্পট দূর করতে সাহায্য করবে। ব্লিটক্স (কপার অক্সিক্লোরাইড সমৃদ্ধ) একটি কন্টাক্ট ফাঙ্গিসাইড। কপার অক্সিক্লোরাইড থাকায় এটা দিলে অতিরিক্ত কোন কপার প্রয়োগের প্রয়োজন নেই।
২) সিস্টেমিক ফাঙ্গিসাইড: যখন কোন গাছ ছত্রাকদ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন আর কন্টাক্ট ফাঙ্গিসাইড কাজ করে না। তখন আক্রান্ত গাছকে রক্ষার জন্য সিস্টেমিক ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করতে হবে।
সহজ ভাষায়, আক্রান্ত গাছকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করতে হয়। আমাদের দেশে ম্যানসার ও রিডোমিল গোল্ড পাওয়া যায়। যেটা সিস্টেমিক ও কন্টাক্ট ফাঙ্গিসাইডের সংমিশ্রন। তবে, গাছের গোড়াপঁচা রোগের জন্য রিডোমিল গোল্ড খুব ভালো কাজ করে। মনে রাখতে হবে, বিনা কারনে সিস্টেমিক ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করা উচিত না। তাহলে গাছের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। তাই, সিস্টেমিক ফাঙ্গিসাইড দেওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৩) ট্রান্সলেমিনার ফাঙ্গিসাইড হল গাছের পাতার উপরে প্রয়োগ করলে গাছের ভিতরে যেয়ে কাজ করে। অর্থাৎ আক্রান্তের পরিমান বেশি হলে ট্রান্সলেমিনার টাইপের ফাঙ্গিসাইড দিতে হবে। অ্যাজোনিল নামের ফাঙ্গিসাইড কন্টাক্ট ও ট্রান্সলেমিনার হিসেবে কাজ করে।
একটা কথা মাথায় রাখবেন। ফাঙ্গিসাইড বা ছত্রাকনাশক কখনোই কীটনাশক হিসেবে কাজ করে না।
শখের গাছগুলো ছত্রাক আক্রমন হলে প্রথমে সেটা ভিতরে নষ্ট হয়। যতক্ষণে বাহিরে লক্ষণ দেখা যায়, ততক্ষনে সব শেষ হয়ে যায়। বাগানের কোন গাছ ছত্রাকে আক্রমন হলে অন্য গাছে ভালো মানের ছত্রাকনাশক দিতে হবে। একটু ভালো মানের ছত্রাকনাশকগুলো লিকুইড ফর্মে পাওয়া যায় এবং দামটাও তুলনামূলক বেশি। এগুলো দিলে খুব দ্রুত ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।
এছাড়াও পড়তে পারেনঃ
