এ্যাডেনিয়াম সোয়াজিকাম পরিচিতি | Adenium Swazicum
ধীরেধীরে বেড়ে ওঠা লম্বা জীবন সময়ের উদ্ভিদটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রজাতি। তবে অনেক ট্যাক্সনোমিষ্ট একে obesum এর একটি উপ-প্রজাতি বলেছেন।
Swaziland এর নিম্ন জংলা তৃণভূমিতে এর ব্যাপক উপস্থিতির কারনে এর নামকরণ swazicum হয়েছে।
A. boehmianum var. swazicum (Stapf) G.D.Rowley
A. obesum subsp. swazicum (Stapf) G.D.Rowley
Summer impala lily
Swazi lily (Eng.)
Somerimpalalelie
Swazi-lelie (Afr.)
Sisila-sempala (SiSwati)
উন্মুক্ত শুষ্ক জংলা বা তৃণভূমিতে A. swazicum বেশি জন্মে থাকে। প্রজাতিটির আদি নিবাস সোয়াজিল্যান্ড, দক্ষিন মোজাম্বিক এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পুমালংগা ও উত্তর কাওয়াজুলু-নাটাল প্রদেশ।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০-৪০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত এই প্রজাতির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বামুন, খরা সহিষ্ণু, সাকুলেন্ট Adenium swazicum গোলাপি রংয়ের লিলি সদৃশ অনেক ফুল দেয়। লম্বায় এরা ৭ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। সোডিয়াম সমৃদ্ধ মাটিতে এরা ভাল হয়।
পাতার নিচে ছোট ছোট লোমের জন্যে একে অন্য সব প্রজাতি থেকে খুব সহজেই আলাদা করা যায়।
১০-১৫ সেমি: ডায়ামিটার বিশিষ্ট মোটা গাজরের মত বেসাল অংশ মাটির নিচে থাকে।
এই প্রজাতির কান্ড/শাখা-প্রশাখা অন্যান্য প্রজাতি থেকে দূর্বল। শাখা গুলো ১৫-৫০ সেমি: লম্বা আর ১-১.৫ সেমি: চওড়া। পরিপক্ব গাছের ডাল/শাখায় লোম থাকে না।
৭০-১৩০x১০-৩০ মিমি: মাপের পাতাগুলোর শীর্ষক দিকে প্রশস্ত আর নিম্নদিকে সরু থাকে। লম্ব বরাবর ভাজ করা পাতাগুলো কান্ডের শীর্ষে গুচ্ছাকারে থাকে। কচি অবস্থায় পাতার দুই পৃষ্ঠে লোম থাকলেও সময়ের সাথে সাথে উপরে লোম চলে যায়। অন্য প্রজাতির এডেনিয়াম থেকে এদের পাতা হালকা সবুজ রঙের হয়ে থাকে। শীতে এদের পাতা ঝরে যায়।
শীতকালের কিছু সপ্তাহ বাদে সারা বছর এতে ফুল আসে। ৬০-৭০ মিমি: ডায়ামিটারের গোলাপী/লাল/পার্পালফুলগুলো শীর্ষ পুষ্পমঞ্জরি থেকে প্রস্ফুটিত হয়।
Adenium multiflorum এর নলাকৃতি সীডপড ১৬০x১০ মিমি: পর্যন্ত হয়। শিংয়ের মত একসাথে দুইটি পড জোড়া লেগে থাকে। পরিপক্ব হলে পড সবুজ থেকে বাদামি রং ধারণ করে।
Adenium multiflorum এর সীডপড ফেটে বিবর্ন বাদামি রঙের, নলাকৃতির অসংখ্য বীজ (১২-১৪x৩ মিমি:) বের হয়। বীজের দুই প্রান্তে রেশমি লোমশ উপাঙ্গ (২৮-৩৫ মিমি:) থাকে।
রেড লিষ্ট A. swazicum কে চরম বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। নেটিভ জমিতে ব্যাপক আখের চাষ আর তৃণভূমি ধবংসের কারনে প্রজাতিটির সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। ধারনা করা হচ্ছে আগামী ৩০ বছরে এর সংখ্যা ৮০% হ্রাস পাবে।
(ছবিগুলো,লেখা নেট থেকে সংগ্রহীত)
তথ্য সংগ্রহ ও লেখকঃ Md Sajjad Hossen Jim



